ইতিহাস-ঐতিহ্য

গোকুল মেধ বা বেহুলার বাসরঘর
ইতিহাস-ঐতিহ্য, বাংলাদেশ, ভ্রমণ, সারাদেশ

গোকুল মেধ বা বেহুলার বাসরঘর

গোকুল মেধ বা বেহুলার বাসরঘর আফরোজা অদিতি বগুড়া শহর থেকে ১০ কি.মিটার উত্তরে এবং মহাস্থান গড় থেকে ২ কি.মিটার দক্ষিণে গোকুল গ্রামে এই ‘গোকুল মেধ’ পুরাকীর্তি অবস্থিত। গোকুল, রামশহর, ও পলাশবাড়ি—এই তিনটি গ্রামের সংযোগস্থলে এই মেধটি অবস্থিত। এই স্মৃতিস্তুপটি অতীতের অসংখ্য ঘটনার স্বাক্ষর বহন করছে। এটি বেহুলা-লক্ষিন্দরের বাসরঘর বলেও পরিচিত। এই বাসরঘর মেড় থেকে মেধ নামে পরিচিতি পেয়েছে। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, মেধটি আনুমানিক ৭ম শতাব্দী থেকে ১২শ শতাব্দি মধ্যে নির্মিত হয়েছে। কথিত আছে—এখানে বেহুলা-লক্ষিন্দরের বাসর হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান গবেষকদের মতে, এই কীর্তিস্তম্ভটি নির্মাণ করেন দেবপাল এবং এটি ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত একটি বৌদ্ধমঠ। বিভিন্ন সময়ের তথ্যমতে জানা যায়, বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ও হিউয়েন সাং তাঁদের ভ্রমণকাহিনীতে—এটিকে বৌদ্ধমঠ হিসেবেই উল্লেখ...
বাবুই পাখির বাসা, দৃষ্টির আড়ালে চলে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার এই ‘শিল্প’
ইতিহাস-ঐতিহ্য, সারাদেশ

বাবুই পাখির বাসা, দৃষ্টির আড়ালে চলে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার এই ‘শিল্প’

বাসা তৈরিতে নিপুণ বলে বাবুই পাখিকে অনেকে তাঁতি পাখি বা বুননী পাখিও বলে। একসময় বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে সারি সারি উঁচু তালগাছে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা দেখা যেত। এখন তা আর সচরাচর চোখে পড়ে না। রহস্যে ঘেরা এই বাবুই পাখির বাসা, দৃষ্টির আড়ালে চলে যাচ্ছে ক্রমশ। কালের বিবর্তনে ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে সেই দৃষ্টি ভোলানো পাখিটিকেও তার নিজের তৈরি বাসা—যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরো ফুটিয়ে তুলত, তা আজ আমরা হারাতে বসেছি। কিন্তু বাবুই কেন এই অদ্ভুত প্রজাতির বাসা বানায়? এর পেছনে কি কোনো উদ্দেশ্য বা কারণ আছে? হ্যাঁ তার এই বাড়ি বানানোর পেছনে রয়েছে বিচিত্র সব তথ্য। রহস্যে ঘেরা বাবুই পাখির বাসা, দৃষ্টির আড়ালে চলে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার এই ‘শিল্প’ বাবুই পাখির বাসা ও জীবনযাপন নিয়ে ভারতের একজন খ্যাতিমান পাখি বিশারদ এক অদ্ভুত তথ্য দিয়েছেন। খুব কাছে থেকে তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণের ...
ঐতিহ্যের নিদর্শন তিনতলা মাটির ঘর
ইতিহাস-ঐতিহ্য, বাসস্থান, সারাদেশ

ঐতিহ্যের নিদর্শন তিনতলা মাটির ঘর

একসময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে ছিল মাটির ঘর। আর, এই মাটির ঘর ছিল ঐতিহ্যের নিদর্শন। কালের বিবর্তনে ইট-পাথরের দালানের ভিড়ে তা দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্তমান প্রজন্মের অর্থশালীরা বাপ-দাদার ঐতিহ্য বহনকারী মাটির ঘর ভেঙে লোহা-সিমেন্টের বিলাসবহুল বহুতল বাড়ি বানানোর দিকে ঝুঁকেছেন। গ্রাম-বাংলার শীত ও গরমের সময় বেশ আরামদায়ক। এখনকার দালানের মতো একসময় গ্রামের বিত্তশালীরা অনেক টাকা-পয়সা ব্যয় করে মাটির বাড়িও তৈরি করতেন। এমনকি দৃষ্টিনন্দন বহুতল মাটির ঘর নির্মাণ করতেন অনেকে।  তবে এসব বাড়ি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। এর মধ্যেও বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার নিমাইদীঘি গ্রামে রয়েছে ৪৩ বছর আগে বানানো ৭ কক্ষের তিনতলা মাটির বাড়ি, ঐতিহ্যের নিদর্শন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরে থালতা মাজগ্রাম ইউনিয়নের নিমাইদীঘি গ্রামে মা...