shubhobangladesh

সত্য-সুন্দর সুখ-স্বপ্ন-সম্ভাবনা সবসময়…

করোনায় দেশে ৪৬ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু, শনাক্ত ১৬১৫

coronavirus
coronavirus-bd

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনায় দেশে ৪৬ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছেন ১৬১৫ জন।এ-সময়ে মারা গেছেন ২১ জন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০) এই তথ্য জানানো হয়। গত ৪৬ দিনের মধ্যে এটা একদিনে সবচেয়ে কম মৃত্যুর সংখ্যা। এর আগে ২ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় ২১ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল।

এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৭১ জন। এ পর্যন্ত দেশে মোট ৪ হাজার ৮২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪৭  হাজার ৯৬৯  জন।

তথ্যানুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৩৬০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। শনাক্তের হার ১২ দশমিক ০৯ শতাংশ। আগের দিন এই হার ছিল ১২ দশমিক ২৭ শতাংশ।

আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। আগের দিন ৪৩ জনের মৃত্যুর তথ্য ছিল। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় আগের দিনের তুলনায় নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যা ও হার সামান্য কমেছে।

দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৭১ জন। এ পর্যন্ত দেশে মোট ৪ হাজার ৮২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৬৯ জন।

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ প্রথম করোনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

এখন দেশে সংক্রমণের সপ্তম মাস চলছে। শুরুর দিকে সংক্রমণ ধীর থাকলেও, মে মাসের মাঝামাঝি থেকে পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে। জুনে তা তীব্র আকার নেয়।

জুলাইয়ের শুরু থেকে নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যা কমতে থাকে। এ সময় পরীক্ষাও কম হয়। অবশ্য গত আগস্ট মাস থেকে নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যার পাশাপাশি পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণ শনাক্তের হারও কমতে দেখা গেছে। তবে মৃত্যু সেভাবে কমছে না।

আরো নির্দেশনা

যে কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে কাছের পরীক্ষাকেন্দ্রে নমুনা পরীক্ষা করাবেন। যত পরীক্ষা করা হবে, ততই করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

তাই সামান্য জ্বর বা কাশিকে অবহেলা করবেন না।

তা ছাড়া কোনো কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলেও নমুনা পরীক্ষা করাবেন।

আপনার সুরক্ষা আপনার হাতে। সঠিকভাবে মাস্ক পরুন। সব বিধি মেনে চলুন। সবাই সচেতন না হলে যে কেউ যে কোনো সময় আক্রান্ত হতে পারেন।

বিশেষ করে, রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করুন। নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন। পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।

রোগপ্রতিরোধ করতে সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন। নিজের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলুন।

জনসমাগম এড়িয়ে চলুন, সাবান-পানি দিয়ে বারবার হাত ধোয়ার নিয়ম মানুন।

নিয়মিত ব্যায়াম, ভালো টিভি নাটক, সিনেমা দেখে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখুন।

প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। মহামারির সময় পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ।

যে কোনো ‍দুর্যোগে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হোন।

নারীর প্রয়োজনের প্রতি বিশেষ অগ্রাধিকার দিন। মানসিকভবে উজ্জীবিত রাখার পথ নিজেকে খুঁজে নিতে হবে।

মায়ের দুধে করোনা ছড়ায় না, তাই শিশুকে বুকের দুধ পান করান। দুধ পান করানোর সময় মায়েরা মুখে মাস্ক পড়ুন।

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন...