বুধবার, নভেম্বর ২৫সত্য-সুন্দর সুখ-স্বপ্ন-সম্ভাবনা সবসময়...

মৃত্যুতে চীনকে টপকালো বাংলাদেশ

0 0
Read Time:5 Minute, 0 Second
Coronavirus-(COVID-19)-Bangladesh

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো এক হাজার ৮১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ২৬ জন। এতে বিশ্বে মোট মৃত্যুর সংখ্যায় করোনার উৎস চীনকে টপকালো বাংলাদেশ।

দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩২ জন। আর মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ হাজার ৭৫৯ জন। আজ (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০) বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

পরীক্ষার অনুপাতে কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের হার ১২.৭৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৭ লাখ ৪২ হাজার ৬৯৬টি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, চীনে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৭৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০) পর্যন্ত বাংলাদেশে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৭৩৩ জন।

সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত (৬৭,১০,৫৮৮ জন) ও মৃত্যু (১,৯৮,৫৪২ জন) হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। আক্রান্তের দিক থেকে এর পরে রয়েছে ভারত, যদিও মৃত্যুর দিক থেকে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে ১৫ নম্বরে, আর মৃত্যুতে ২৮ নম্বরে।

তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫১২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ১৫৫ জন। মারা যাওয়া ২৬ জনের মধ্যে ২২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ২৫ জন, বাড়িতে ১ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির পরিসংখ্যানানুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বে ২ কোটি ৯০ লাখ ৮ হাজার ৪৯৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ভাইরাসজনিত কারণে গোটা বিশ্বে মৃত্যু হয়েছে ৯ লাখ ২৪ হাজার ১২৭ জনের।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। ১৮ মার্চ প্রথম করোনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

আরো নির্দেশনা

যে কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ থাকলে কাছের পরীক্ষাকেন্দ্রে নমুনা পরীক্ষা করাবেন। যত পরীক্ষা করা হবে, ততই করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

তাই সামান্য জ্বর বা কাশিকে অবহেলা করবেন না।

তা ছাড়া কোনো কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলেও নমুনা পরীক্ষা করাবেন।

আপনার সুরক্ষা আপনার হাতে। সঠিকভাবে মাস্ক পরুন। সব বিধি মেনে চলুন। সবাই সচেতন না হলে যে কেউ যে কোনো সময় আক্রান্ত হতে পারেন।

বিশেষ করে, রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করুন। নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন। পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।

রোগপ্রতিরোধ করতে সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন। নিজের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলুন।

জনসমাগম এড়িয়ে চলুন, সাবান-পানি দিয়ে বারবার হাত ধোয়ার নিয়ম মানুন।

নিয়মিত ব্যায়াম, ভালো টিভি নাটক, সিনেমা দেখে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখুন।

প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। মহামারির সময় পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ।

যে কোনো ‍দুর্যোগে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হোন।

নারীর প্রয়োজনের প্রতি বিশেষ অগ্রাধিকার দিন। মানসিকভবে উজ্জীবিত রাখার পথ নিজেকে খুঁজে নিতে হবে।

মায়ের দুধে করোনা ছড়ায় না, তাই শিশুকে বুকের দুধ পান করান। দুধ পান করানোর সময় মায়েরা মুখে মাস্ক পড়ুন।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleppy
Sleppy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Average Rating

5 Star
0%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *