বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৮সত্য-সুন্দর সুখ-স্বপ্ন-সম্ভাবনা সবসময়...

ভ্রমণ

গোকুল মেধ বা বেহুলার বাসরঘর
ইতিহাস-ঐতিহ্য, বাংলাদেশ, ভ্রমণ, সারাদেশ

গোকুল মেধ বা বেহুলার বাসরঘর

গোকুল মেধ বা বেহুলার বাসরঘর আফরোজা অদিতি বগুড়া শহর থেকে ১০ কি.মিটার উত্তরে এবং মহাস্থান গড় থেকে ২ কি.মিটার দক্ষিণে গোকুল গ্রামে এই ‘গোকুল মেধ’ পুরাকীর্তি অবস্থিত। গোকুল, রামশহর, ও পলাশবাড়ি—এই তিনটি গ্রামের সংযোগস্থলে এই মেধটি অবস্থিত। এই স্মৃতিস্তুপটি অতীতের অসংখ্য ঘটনার স্বাক্ষর বহন করছে। এটি বেহুলা-লক্ষিন্দরের বাসরঘর বলেও পরিচিত। এই বাসরঘর মেড় থেকে মেধ নামে পরিচিতি পেয়েছে। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মতে, মেধটি আনুমানিক ৭ম শতাব্দী থেকে ১২শ শতাব্দি মধ্যে নির্মিত হয়েছে। কথিত আছে—এখানে বেহুলা-লক্ষিন্দরের বাসর হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান গবেষকদের মতে, এই কীর্তিস্তম্ভটি নির্মাণ করেন দেবপাল এবং এটি ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত একটি বৌদ্ধমঠ। বিভিন্ন সময়ের তথ্যমতে জানা যায়, বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ও হিউয়েন সাং তাঁদের ভ্রমণকাহিনীতে—এটিকে বৌদ্ধমঠ হিসেবেই উল্লেখ...
টংকনাথ ও হরিপুরের রাজবাড়ির খোঁজে
বিশেষ প্রথম, ভ্রমণ, সারাদেশ

টংকনাথ ও হরিপুরের রাজবাড়ির খোঁজে

টংকনাথ ও হরিপুরের রাজবাড়ির খোঁজে—অনেকটা পথচলা। দেখা হলো : টংকনাথ ও হরিপুর রাজবাড়ি—দুটি পৃথক স্থাপনা। এর সঙ্গে ফানসিটি এমিউজমেন্ট পার্ক, খুনিয়াদিঘি ও স্মৃতিসৌধ, রানীদিঘি, হরিপুর উপজেলা কমপ্লেক্স ও নাগর নদী। খাওয়া হলো হরিপুরের বিখ্যাত খাবার... ভ্রমণপিপাসু মানুষই শুধু বুঝবেন কথাটির মর্ম, তা হলো—কয়েকদিন ঘরে বন্দি থাকলেই মনটা বাইরে যাওয়ার জন্য ছটফট করতে থাকে। করোনার জন্য ছয় মাস ধরে বাড়ির বাইরে যেতে পারছি না। মন তো আকুপাকু করছে। কী করা যায়? এ নিয়ে যখন মনে মনে ভাবছি, তখন পথ দেখিয়ে দিলো ফেসবুক। একজনের পোস্ট থেকে জানতে পারলাম, পার্শ্ববর্তী ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলায় রয়েছে বিশাল এক দিঘি রানীসাগর। আর আছে রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি। ভাবলাম রাণীশংকৈল তো কাছেই। দিব্যি ঘুরে আসতে পারি। দিনাজপুরের বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ অপু দে’কে সাথে পেলাম। কাজেই দিনক্ষণ ঠিক করে শরতের এক সকালে মাই...
ঐতিহাসিক রামসাগর দিঘি
ভ্রমণ, সারাদেশ

ঐতিহাসিক রামসাগর দিঘি

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তম জেলা দিনাজপুর। দিনাজপুর জেলার নাম শুনলেই ভ্রমণ-পিপাসু মানুষদের মনে পড়ে রামসাগরের কথা। নামে সাগর হলেও, এটি মানুষের সৃষ্টি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দিঘি—ঐতিহাসিক রামসাগর দিঘি। শহরের কোলাহল ছেড়ে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে চাইলে রামসাগর হবে আপনার জন্য উপযুক্ত পর্যটন কেন্দ্র। মাঝখানে বিশাল বড় স্বচ্ছ পানির পুকুর। চারদিকে সবুজে ঢাকা বন এবং লাল মাঠির উঁচু নিচু ঢিলা।সব মিলে তৈরি করেছে এক প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য। গাছগাছালিতে ঘেরা এই দিঘিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে রামসাগর জাতীয় উদ্যান। অবস্থান ও পরিচিতি দিনাজপুর শহর থেকে আট কিলোমিটার দূরে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে রামসাগর দিঘিটি অবস্থিত। এর আয়তন ৪,৩৭,৪৯২ বর্গমিটার।দিঘিটির দৈর্ঘ্য ১,০৩১ মিটার ও প্রস্থ ৩৬৪ মিটার। দিঘিটি নির্মাণের  সময় পশ্চিম দিকের ম...