shubhobangladesh

সত্য-সুন্দর সুখ-স্বপ্ন-সম্ভাবনা সবসময়…

ধর্মীয় ও বিনোদন কেন্দ্র থেকে করোনা ছড়াচ্ছে : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

Coronavirus Who
Coronavirus Who

মহামারি করোনাভাইরাস বিশ্বের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দেশ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে নেওয়া কিছু কিছু দেশে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

এই বাড়ার পেছনের কারণ হিসেবে গতকাল সোমবার (২২ জুন) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, নাইটক্লাব, বিনোদন কেন্দ্র ও প্রবাসীদের আগমণের বিষয়টি উল্লেখ করেছে।

মূলত লকডাউন তোলার পর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রেস্টুরেন্টসহ অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। সেখানে মানুষের সমাগম বেড়েছে।

তার মাধ্যমে আবার ছড়াতে শুরু করেছে করোনাভাইরাস। খবর মেট্রো, রয়টার্স ও আল জাজিরা।

এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা মারিয়া ফন কেরখোভ বলেছেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশ করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে।

অনেক দেশ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। আক্রান্তের হার ছিল খুবই কম। কিন্তু করোনাভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়া বিভিন্ন দেশে হঠাৎ করে আবার বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ।

এটার পেছনে আছে ধর্মীয় ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো। লকডাউন শিথিল ও তুলে নেওয়ার পর মানুষজন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন কেন্দ্র, নাইটক্লাবে যেতে শুরু করেছে।

তার মাধ্যমে আবার বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ।’

উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে হু’র কর্মকর্তা মাইক রায়ান বলেছেন,

‘দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে তারা দ্বিতীয় দফায় আক্রান্ত হওয়ার মাঝামাঝি অবস্থানে আছে।

কোরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পেছনের কিছু ক্লাস্টার খুঁজে বের করা হয়েছে। সেগুলোর উৎপত্তিস্থল নাইটক্লাব, বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র, বিনোদন কেন্দ্র ও পার্ক।’

বাংলাদেশে করোনায় বিশেষ কিছু নির্দেশনা

সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করুন। কোরবানির পশুর হাটের নীতিমালা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।

নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন। পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।

রোগপ্রতিরোধ করতে সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন। নিজের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলুন। মাস্ক পরার বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সবাই মাস্ক পরুন।

জনসমাগম এড়িয়ে চলুন, সাবান-পানি দিয়ে বারবার হাত ধোয়ার নিয়ম মানুন।

নিয়মিত ব্যায়াম, ভালো টিভি নাটক, সিনেমা দেখে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখুন।

প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। মহামারির সময় পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ।

যে কোনো ‍দুর্যোগে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তাদের প্রতি বিশেষ মনোযোগী হোন।

নারীর প্রয়োজনের প্রতি বিশেষ অগ্রাধিকার দিন। মানসিকভবে উজ্জীবিত রাখার পথ নিজেকে খুঁজে নিতে হবে।

মায়ের দুধে করোনা ছড়ায় না, তাই শিশুকে বুকের দুধ পান করান। দুধ পান করানোর সময় মায়েরা মুখে মাস্ক পড়ুন।

—ডেস্ক শুভবিশ্ব

শেয়ার করে আমাদের সঙ্গে থাকুন...