বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৮সত্য-সুন্দর সুখ-স্বপ্ন-সম্ভাবনা সবসময়...

প্রবন্ধ-গবেষণা

নয়নতারা ফোঁটা-না-ফোঁটা
প্রবন্ধ-গবেষণা, বিশেষ প্রথম, সাহিত্য

নয়নতারা ফোঁটা-না-ফোঁটা

নয়নতারা ফোঁটা-না-ফোঁটা লাবণ্য প্রভা নয়নতারা ফোঁটা-না-ফোঁটা শহীদুল জহিরকে আমি চিনি না। কিংবা চিনি। শহীদুল জহিরের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। তাঁর সঙ্গে আমার কখনো দেখা হয়নি। এই দেখা হওয়া-না-হওয়া আসলে মহাকালে কোনো মানে বহন করে না। এ দেশে কোটি কোটি শহীদুল জহির আছে। জহির শহীদুল আছে। আলাদা আলাদা করে লক্ষ লক্ষ শহীদুল আছে, জহির আছে। তারা খায় দায়, সঙ্গম করে, পয়দা করে। তাদেরকে আমি চিনি না। তাদেরকে চেনার জন্য আমার ভেতরেও কোনো মোচর তৈরি হয় না। কিন্তু আমাদের শহীদুল জহির আলাদা। তিনি অন্য শহীদুল কিংবা জহিরদেরও মতো নন। তিনি সরকারি কর্মকর্তা হলেও, গল্প-উপন্যাস লেখেন। কেবল লেখেন না, লেখক জগতকে চমকে দেন। অন্য লেখকরা তার লেখার ঝলকানিতে পুড়ে যেতে থাকেন। তবে, শহীদুল জহিরকে চেনার আগে থেকে আমি আগারগাঁও কলোনি চিনি। বামপাশে পুরাতন বিমান বন্দর, আর ডান পাশে আগারগাঁও কলোনির মাঝ দি...
শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা – ৩য় পর্ব
প্রবন্ধ-গবেষণা, সাহিত্য

শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা – ৩য় পর্ব

শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা - ৩য় পর্ব জ্যোতি পোদ্দার শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা - ৩য় পর্ব এক ১৯৭০ সাল। বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে আর্বিভাব হবার প্রসূতি সময়। সাহিত্য-সংস্কৃতি রাজনৈতিকতার নানা তৎপরতার ভেতর দিয়ে চলছে আত্মপরিচয় সন্ধানের লড়াই সংগ্রাম। কী কবিতা—কী গানে—কী সাহিত্য পত্রিকা চর্চায়—জীবনের সকল ক্ষেত্রে বাংলার জল, বাংলার ফল, বাংলার মাটির সাথে নিজেকে মিলবার ও মেলাবার জাতীয়তাবাদী দশক। এমন সময়ে ‘পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন’ শেরপুর মহাবিদ্যালয় শাখা প্রকাশ করেন ‘আবাহন’। নববর্ষ সংখ্যা। নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ ও আবদুছ ছাত্তারের যৌথ সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকাটির মূল্য পঁচিশ পয়সা। ‘আমাদের প্রেস’ জামালপুর থেকে মূদ্রণ। নববর্ষের আহ্বান জানিয়ে ‘আবাহনে’ শাহেদা বেগম রুনু লিখেছেন— ‘মাধবীলতার কানে কানে, চুপি চুপি— বাতাস বলে গেল, —সে আসবে... গাছের ডালে বসে সুন্দর পা...
শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা – ২য় পর্ব
প্রবন্ধ-গবেষণা, সাহিত্য

শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা – ২য় পর্ব

শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা - ২য় পর্ব জ্যোতি পোদ্দার শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা - ২য় পর্ব স্থানিকে পাঠক বলয় যথেষ্ট প্রসারিত নয়। আর্থ-সামাজিক কাঠামো এমন যে, নিজে ও পরিবারের আহার সংস্থানে সকাল-সন্ধ্যা গতরে পরিশ্রমের পর আর ফুসরত কই? পঠন-পাঠনের যে সংস্কৃতি যে আলোড়ন যে ঝোঁক সমাজে দেখা দেবার কথা—সেটি টাউন শেরপুর কেন বাংলাদেশের কোনো মফস্বলের ভাগ্যে জুটে নাই। সবকিছু সর্বসুখ ঐ রাজধানী ঢাকাতে—এমন মনোভঙ্গির কারণেও, স্থানিক ন্যাতিয়ে আছে ম্যাড় ম্যাড়া হয়ে আছে। সজীবতা নেই। সনদধারী বেড়েছে বটে। স্কুল কলেজ কিণ্ডার গার্ডেন কোচিংয়ের রমারমা; বাজার আছে ক্ষুদ্র ঋণের নামে নানা কিসিমের টাকার দোকান। তাই বলছিলাম, পঠন পাঠনের সংস্কৃতি গড়ে দেবার যে সামাজিক সাংস্কৃতিক আত্মিক আন্দোলন সেটি মফস্বলে বিস্তার ঘটেনি। রাজনৈতিক টেন্ডার বাজির সাথে পাল্লা দিয়ে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের সুচক উর্ধ্বমুখী। জ্ঞান ও...
শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা
প্রবন্ধ-গবেষণা, বিশেষ প্রথম, সাহিত্য

শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা

শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা জ্যোতি পোদ্দার শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চা এই উত্তর জনপদের টাউন শেরপুরে ছোটকাগজ চর্চার ইতিহাস খুব বেশি দিনের না। দেশভাগের আগে এখানকার সামন্ত জমিদারদের নিজস্ব পত্রিকা ছিল, ছিল প্রেসও। যত না বাণিজ্যের কারণে মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন—তার চেয়ে অধিকতর দৃষ্টি ছিল শিল্প-সাহিত্য চর্চার পরিসর নির্মাণ করা। যে সময়ে শেরপুরে মূদ্রণ যন্ত্র স্থাপিত হয়, তখন টাউন শেরপুর নিতান্তই প্রান্তিকের প্রান্তিক—এক পাণ্ডববর্জিত অঞ্চল। তবু এখানে ‘বিদ্যোন্নতি সাহিত্য চক্র’ গঠিত হয়ে গেছে, বেরুচ্ছে মাসিক ‘বিদ্যোন্নতি সাধিনী’ (১৮৬৫)—সামন্ত জমিদার হরচন্দ্র চৌধুরীর প্রযত্নে বিখ্যাত পণ্ডিত চন্দ্রমোহন তর্কালঙ্কারের সম্পাদনায়। অন্যদিকে, জগন্নাথ অগ্নিহোত্রির সম্পাদনায় ‘বিজ্ঞাপনী’ (১৮৬৬)। প্রান্তিকের প্রান্তিক টাউন শেরপুর হতে দুই দুটি পত্রিকা বের হচ্ছে। চাট্টিখানি কথা নয়। পত্রিকা থাকবে আর গ্রা...
নাসির আহমেদের কবিতা : জীবনঘনিষ্ঠ মৃত্যুর নন্দনশিল্প
প্রবন্ধ-গবেষণা, শুভ জন্মদিন, সাহিত্য

নাসির আহমেদের কবিতা : জীবনঘনিষ্ঠ মৃত্যুর নন্দনশিল্প

৬৯তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাসির আহমেদের কবিতা জীবনঘনিষ্ঠ মৃত্যুর নন্দনশিল্প সুমন সরদার নাসির আহমেদের কবিতা কাব্যালোচনার জন্যে কেউ কবিতার নির্মাণশৈলীর চমৎকারিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চান। আবার কেউ কবিতার আত্মানুসন্ধানে মনোযোগ দিতে চান। কেউ-বা মনে করেন, কবির দেশ, সময়, সমাজব্যবস্থা, কবির বাস্তব অভিজ্ঞতা, প্রতিভার মাত্রা প্রভৃতি অনুসন্ধানের মাধ্যমে কবিতার সমগ্র তাৎপর্য উদ্ধার সম্ভব। কবি নাসির আহমেদের কবিতা আলোচনা করতে এর যে কোনো মত গ্রহণ করলেই তাঁর কবিতার নিগূঢ় প্রদেশে অবগাহন করা যায়। কেননা তিনি কবিতা নির্মাণে আজীবন সহজাত। সহজাত ভঙ্গিতেই রচিত তাঁর কবিতায় পাওয়া যায় ছন্দ, চিত্রকল্প, বাক্‌-ভঙ্গি এবং বিন্যাসের কারুকাজ। সহজাত গুণটির সঙ্গে শিল্প-ভাবনার পরিপক্কতা তাঁর কবিতায় যোগ করেছে ভিন্নমাত্রা। বাংলা কবিতা এক জায়গায় থেমে নেই। সময়ের সঙ্গে, যুগের সঙ্গে কবিতার বিষয...
ধর্ম নিয়ে
প্রবন্ধ-গবেষণা, মতামত

ধর্ম নিয়ে

ধর্ম নিয়ে সুনীল শর্মাচার্য সেদিন এক বুদ্ধিজীবীকে বলতে শুনলাম, সব মানুষ নিজেদের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বা চিন্তাবিদ আখ্যা দেন, বা যাঁদের জাতপাত, ধর্মে বিশ্বাস নেই এক্কেবারেই, তাঁদের পিতৃত্ব নিয়ে বিশেষ রকম সন্দেহ থেকেই যায়! অর্থাৎ, তিনি তাঁদের স্পষ্টতই অবৈধ বলে দাগিয়ে দিলেন, আক্ষরিক অর্থে যদিও-বা না হয়, রূপকার্থে তো বটেই। তবে কথা গলো, বুদ্ধিজীবীমশাই যা বলেছেন, তা আসলে ক্রমবর্ধমান এক ভাবনাপ্রবাহ—যেখানে অনায়াসেই নিজ জীবনের পছন্দ-অপছন্দকে নৈতিকতার মানদণ্ডে মাপা হচ্ছে। কে কোন ধর্মে বিশ্বাস করবেন, বা আদৌ কোনো ধর্মে বিশ্বাসী হবেন কি না, সবই তো ব্যক্তিগত জীবনের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়, তাই না? মানে বলতে চাইছি, হতেই তো পারে আমি কোনো-এক বিশেষ ধর্মাবালম্বী পরিবারে জন্মালাম, কিন্তু তা বলে আমার কি ন্যূনতম সে অধিকার নেই, অন্তত এই স্বাধীন  সমাজে, যে আমি স্বেচ্ছায়—সে ধর্মকেই পাল্টা প্রশ্ন...
কবির ভাষা, কবিতার ভাষা
প্রবন্ধ-গবেষণা, সাহিত্য

কবির ভাষা, কবিতার ভাষা

কবির ভাষা, কবিতার ভাষা সুনীল শর্মাচার্য কবিতার ভাষা নিয়ে যখন কিছু বলতে যাই, তখনই মনে প্রশ্ন জাগে—কবিতার, না কবির ভাষা? নির্বিশেষ ‘কবিতার ভাষা’ ব’লে কিছু আছে কি? এক একজন কবি, তার ভাষার ভাণ্ডার থেকে নিজভাষা নির্মাণ করেন, অবশ্যই তাৎপর্য পূর্ণ কবির কথাই বলছি। এ ভাষার ভাণ্ডার নানাভাবে গড়ে ওঠে—মানুষের কথকতায়, দৈনন্দিন আদান-প্রদানের স্রোতে আবার ঐ ভাষাই ইতোমধ্যে যে কবিতা বা সাহিত্য তৈরি করছে তাতেও। একজন বড় কবি নিজের সিলমোহর ঐ উভয় পরম্পরার ওপর বসিয়ে দেন। কবির ভাষা তাই এক রকম নয়, নির্বিশেষ কবিতার ভাষাও নেই। সময় বিশেষ পরিস্থিতি কবির বীক্ষাভূমি এসবের মিথষ্ক্রিয়ায় কবির ভাষা তৈরি হয়। আর সেখানে আধুনিক প্রাক-আধুনিক উত্তর আধুনিক—এরকম কোন অনড় ছাপ থাকে না। জীবনানন্দের কবির ক্রিয়া (হাঁটিতেছি) সাহিত্যের ভাষায় সে অর্থে 'আধুনিক' নয়, সুধীন্দ্রনাথের বহু শব্দই প্রচলিত আধুনিকের...
টাউন শেরপুরে প্রথম রবীন্দ্রজয়ন্তী
প্রবন্ধ-গবেষণা, মতামত, সাহিত্য

টাউন শেরপুরে প্রথম রবীন্দ্রজয়ন্তী

টাউন শেরপুরে প্রথম রবীন্দ্রজয়ন্তী জ্যোতি পোদ্দার গত শতকের দু’য়ের দশকের শেষের দিকেই মূলত এই শেরপুর পরগণায় নতুন রাজনীতি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এই রাজনীতি সামন্ততান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন তৎপরতার ভেতর গড়ে ওঠা প্রগতিশীল রাজনৈতিক চর্চা ও তার নানামুখী তৎপরতা। একদিকে ক্ষয়িষ্ণু সামন্ততন্ত্রের ভেতর কলকাতাকেন্দ্রিক শিক্ষার আলো বাতাসে বেড়ে ওঠা জমিদার তনয়দের কংগ্রেস গঠন ও সর্বভারতীয় কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূসি বাস্তাবায়নের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম, অন্যদিকে সাম্যবাদে দীক্ষিত তরুণ শিক্ষিত প্রজন্ম ও তালুকদার পিতার বিদ্রোহী সন্তান শোষণ-মুক্ত সমাজ গড়ার জন্য কম্যুনিস্ট পার্টি গঠন ও নানামুখী আন্দোলন সংগ্রাম চালাবার জন্য লড়াকু শক্তির আত্মপ্রকাশ ঘটে। টাউন শেরপুর তিনের দশক থেকেই এই দুই ভাবার্দশে বিভক্ত হয়ে পড়ে—ব্যক্তি থেকে পরিবারে। আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে নালিতাবাড়ি নকলা শ্রীবর্দী ও ঝ...
মাইকেল মধুসূদন দত্ত নবজাগরণের প্রথম প্রাণপুরুষ : উত্তম চক্রবর্তী
প্রবন্ধ-গবেষণা, সাহিত্য

মাইকেল মধুসূদন দত্ত নবজাগরণের প্রথম প্রাণপুরুষ : উত্তম চক্রবর্তী

বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের প্রবর্তক কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রোহ ও সংগ্রাম তিনিই সূচনা করেন এবং সর্বোতভাবে সফল হন। প্রাচীন ও মধ্যযুগের ধীর, অলস ও একমাত্রিক জীবন-যাত্রার তাল-ছন্দ তিনিই ভেঙেছেন, এ তার বৈপ্লবিক কর্মযজ্ঞ। মধুসূদন নতুন কালের আহবান উপলব্ধি করেছিলেন আর এ জন্যে বাংলা সাহিত্যের গতানুগতিক আঙ্গিক, ভাব ও বক্তব্যের ক্ষেত্রে তিনি আনলেন জীবন ও জগৎমুখী গতিময় পরিবর্তন। এবং এমন একটি সাহিত্যিক আবহাওয়া থেকেই আমাদের সুসজ্জিত আলোক-উজ্জ্বল সাহিত্যের এই বর্তমানে এসে স্থিত হওয়া। আত্মসমর্পণমুখী যুক্তিহীন ভক্তিসর্বস্ব অন্ধকার জগৎ থেকে মানব-আত্মাকে তিনিই জাগিয়ে তুলেছেন, মানব মনে প্রতিষ্ঠা করেছেন জীবন-উপভোগের স্পৃহা, সামান্যে তৃপ্ত বাঙালির হৃদয়ে তিনিই এনেছেন অপার অনুসন্ধিৎসা। বাংলা সাহিত্যে কালবদলের এ বড় কাজটি সম্পন্ন হয়েছে তার হাতেই। মধুসূদনের শ...
আমাদের আত্মপরিচয় : হায়াৎ সাইফ
প্রবন্ধ-গবেষণা, সাহিত্য

আমাদের আত্মপরিচয় : হায়াৎ সাইফ

আমাদের আত্মপরিচয় : হায়াৎ সাইফ একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী হিসেবে আমাদের স্বকীয়তা ও বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে দ্বিধাবিভক্তি যা সৃষ্ট হয়েছিল তা প্রধানত রাজনৈতিক কারণে। এই ভূখণ্ডের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে এখানকার আদিম জনগোষ্ঠী ছাড়াও আরও অনেক নৃগোষ্ঠীর মানুষ এসেছে ও বসতি স্থাপন করেছে, এ মাটির গভীরে শেকড় চারিয়ে দিয়েছে। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় আমাদের সংস্কৃতি আত্মস্থ করেছে নানাবিধ উপাদান। একসময় সেই সমস্ত উপাদান একাত্ম হয়ে মিশেছে আমাদের যাপিত জীবনে। এই উপাদানগুলোর মধ্যে যেমন আছে খাদ্যাভ্যাস, পোশাক পরিচ্ছদ, সঙ্গীত, স্থাপত্য, তেমনি ধর্মীয় বৈশিষ্ট্য। এই ধর্মীয় বৈশিষ্ট্যসমূহ সাধারণ মানুষের জীবনে তাদের দৈনন্দিন সহাবস্থানকে অনেক সময় বাধাগ্রস্ত করেছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগে মানুষের ধ্যান ধারণায় ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বিরল নয়। কিন্তু লক্ষণীয়, ঐ অসহিষ্ণুতা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে ওপর থেকে, শাসক গোষ্ঠীর...